যোগাযোগ :

ঢাকা থেকে প্রকাশিত, সরকারি মিডিয়া তালিকা ভুক্ত, জাতীয়  দৈনিক যুগযুগান্তর পত্রিকায় ও যে যে টিভি... জেলা উপজেলা, বিশেষ প্রতিনিধি, ক্রাইম রিপোর্টার, বিভাগীয় প্রধান, ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, বিজ্ঞাপন প্রতিনিধি নেওয়া হচ্ছে..। আগ্রহীদের সিভি পাসপোর্ট সাইজের ছবি এন আইডি কার্ড এর কপি এবং শিক্ষাগত যোগ্যতার সার্টিফিকেট মেইল অথবা হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানোর অনুরোধ করা হলো। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378, ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা। প্রধান কার্যালয়: ২৮, দিলকুশা বানিজ্যিক এলাকা (১৯ তম তলা), সুইট # ১৯০৩, মতিঝিল, ঢাকা - ১০০০। মোবা: 01978268378, হোয়াটসঅ্যাপ: 01612268378 ইমেইল: nskibria2012@gmail.com, শাখা অফিস : ১৮৭/২ আরামবাগ, ঢাকা।

ভাতিজা হত্যায় চাচির যাবজ্জীবন

ভাতিজা হত্যায় চাচির যাবজ্জীবন

ফেনী প্রতিনিধি:

ফেনীর পরশুরাম উপজেলার বক্সমাহমুদ ইউনিয়নে ৩ বছরের শিশু ভাতিজা তরিকুল ইসলাম হত্যা মামলায় চাচিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানার অনাদায়ে আরো তিন মাসের সশ্রম কারাদণ্ডের রায় দিয়েছে আদালত। জেলা ও দায়রা জজ ড. জেবুন্নেছা ২৪ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে এ রায় দেন।
আদালতে বুধবার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে বৃহস্পতিবার রায়ের দিন ঘোষণা করেন বিচারক। রাষ্ট্রপক্ষে আইনজীবী হাফেজ আহাম্মদ এ রায়ে তিনি সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। অপরদিকে আসামি পক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট আবদুল ছাত্তার রায়ে অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তিনি উচ্চ আদালতে আপিল করবেন বলে জানান।

পিপি হাফেজ আহাম্মদ জানান, জেলা ও দায়রা জজ ড. জেবুন্নেছার আদালতে বুধবার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন করা হয়। গত মঙ্গলবার আসামি আরজিনা আক্তারের পরীক্ষা করা হয়েছে। গত ১৪ মার্চ মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রিয়াউল জব্বার ও পুলিশ কনস্টেবল রঞ্জন চাকমার সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্ব সমাপ্ত করে আদালত। এ মামলার ২৫ জন সাক্ষীর মধ্যে ম্যাজিস্ট্রেট, চিকিৎসক ও বাদীসহ ১১ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। আসামি আরজিনা আক্তার ২০১৯ সালের ২৩ নভেম্বর থেকে কারাগারে রয়েছেন।

আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. কামাল উদ্দিন জানান, গত ২০১৯ সালের ২১ নভেম্বর সন্ধ্যায় উপজেলার বক্সমাহমুদ ইউনিয়নের দক্ষিণ মোহাম্মদপুর গ্রামে বাড়ির পাশে জমির আইল থেকে তরিকুল ইসলাম নামে তিন বছরের এক শিশুর লাশ উদ্ধার করা হয়। ঐ শিশু দক্ষিণ মোহাম্মদপুর গ্রামের মাওলানা আবু বকরের একমাত্র ছেলে। এ ঘটনায় পরশুরাম মডেল থানায় ওই শিশুর বাবা বাদী হয়ে শুক্রবার রাতে অজ্ঞাত আসামি হত্যা মামলা করেন। পরের দিন ২৩ নভেম্বর দুপুরে সন্দেহভাজন হিসেবে চাচি আরজিনা আক্তারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য গ্রেফতার করে তদন্তকারী কর্মকর্তা ও পরশুরাম মডেল থানার তৎকালীন ওসি (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান। একই বছরের ২৪ নভেম্বর বিকালে ফেনীর জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম তানিয়া ইসলামের আদালতে আরজিনা আক্তারকে হাজির করলে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন। ওসি (তদন্ত) মাহবুবুর রহমান ছাগলনাইয়া থানায় বদলি হলে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয় এসআই রিয়াউল জব্বারকে।

২০২০ সালের ৩ সেপ্টেম্বর আরজিনাকে অভিযুক্ত করে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রিয়াউল জব্বার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। আদালত ২০২০ সালের ১০ ডিসেম্বর চার্জ গঠন করে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য করে। ২০২১ সালের ১২ জানুয়ারি এ মামলার প্রথম সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। তদন্তকারী কর্মকর্তা এ মামলায় ২৫ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে।

খবরটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved © 2017 jujugantor.com
Theme Customized BY SpacialNews.Com